Description
তোমাদের প্রেম নিকষিত হেম কামনা নাহিক তায় যুগে যুগে কবি গড়িয়াছে ছবি কত ব্রজের গাঁয়! হয়ত তাহাও জানে না সে মেয়ে জানে না কুসুম-হার, এত যে আদরে গাঁথিছে সে তাহা গলায় দোলাবে কার? বঁধুর কোলেতে বধুয়া ঘুমায়, খোলেনি বাহুর বাঁধ, দীঘির জলেতে নাহিয়া নাহিয়া মেটেনি তারার সাধ। তরুণ কিশোর ছেলে, আমরা আজিকে ভাবিয়া না পাই তুমি হেথা কেন এলে? তুমিও হয়ত জান না কিশোর, সেই কিশোরীর লাগি, মনে মনে কত দেউল গেঁথেছে কত না রজনী জাগি।
বিহগ ছাড়িয়া ভোরের ভজন আহারের সন্ধ্যানে, বাতাসে বাঁধিয়া পাখা-সেতু-বাঁধ ছুটিবে সুদুর-পানে। আজিও নিজেরে বিকাইতে পার ফুলের মালার দামে, রূপকথা শুনি তোমাদের দেশে রূপকথা-দেয়া নামে। হাসিটি হেথায় বাজারে বিকায় গানের বেসাত করি, হেথাকার লোক সুরের পরাণ ধরে মানে লয় ভরি। তরুণ কিশোর! তোমার জীবনে সবে এ ভোরের বেলা, ভোরের বাতাস ভোরের কুসুমে জুড়েছে রঙের খেলা। ডাকে কেয়াবনে ফুল-মঞ্জরি ঘন-দেয়া সম্পাতে, মাটির বুকেতে তমাল তাহার ফুল-বাহুখানি পাতে।
তোমাদের সেই ব্রজের ধূলায় প্রেমের বেলাতি হয়, সেথা কেউ তার মূল্য জানে না, এই বড় বিস্ময়। সেথায় তোমার কিশোরী বধূটি মাটির প্রদীপ ধরি, তুলসীর মূলে প্রণাম যে আঁকে হয়ত তোমারে স্মরি। এখনো গোপন আঁধারের তলে আলোকের শতদল, মেঘে মেঘে লেগে বরণে বরণে করিতেছে টলমল। কালিন্দী লতা গলায় জড়ায়ে সোনার গোকুল কাঁদে ব্রজের দুলাল বাঁধা নাহি পড়ে যেন মথুরার ফাঁদে। আজিও চেননি সোনার আদর, চেননি মুক্তাহার, হাসি মুখে তাই সোনা ঝরে পড়ে তোমাদের যারতার।









Reviews
There are no reviews yet.